২০২১- টার্গেট ৪৮ শতাংশ মহিলা ভোট, দুর্গা-বাহিনী তৈরি করছেন মমতা ! যুবযোদ্ধার মতোই দুর্গাবাহিনী

0
270

২০২১- টার্গেট ৪৮ শতাংশ মহিলা ভোট, দুর্গা-বাহিনী তৈরি করছেন মমতা ! যুবযোদ্ধার মতোই দুর্গাবাহিনী

তীর্থঙ্কর মুখার্জি, কলকাতা : আগামী বিধানসভাকে মাথায় রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি লক্ষ্যমাত্রা রেখেছেন। তাঁর টার্গেট এবার মহিলা ভোটার। সেই লক্ষ্যেই তিনি এবার ‘দুর্গাবাহিনী’ গড়ে তুলতে চাইছেন। আরও বেশি মহিলাতে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছেন। যুব-যোদ্ধার মতোই দলীয় সুপ্রিমো চাইছেন মহিলা-বাহিনী তৈরি করতে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি ঘোষণা করেছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন সরকার রাজ্য পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগে নারী-পুরুষ সমানাধিকারের পক্ষে। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, দলের মহিলা কর্মীরা রাজ্যের ৭০ হাজার বিজোড় বুথের প্রত্যেকটিতে প্রত্যেকটিতে করবেন।
এবং তাঁরা বুথের ২০ জন মহিলার সঙ্গে অন্তত কথা বলবেন। তাঁদের বোঝাবেন টিএমসির উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে। তাঁদের সচেতন করার এই কর্মসূচির মাধ্যমেই তাঁরা মহিলাদের প্রভাবিত করতে চাইছেন।
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মহিলাদের ক্ষমতায়ন পক্ষে বরাবরই সওয়াল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সরকার মহিলাদের উন্নয়নের পরিকল্পনাও করেছে বহু সামাজিক প্রকল্প রূপায়ণের মাধ্যমে। কন্যাশ্রী-সহ সরকার যে কয়েকটি নারী কল্যাণমূলক কর্মসূচি চালু করেছে, তার উদাহরণ তুলে ধরবেন মহিলা কর্মীরা।
তৃণমূল সরকারের লক্ষ্য নারী শিক্ষার প্রচার। কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার কীভাবে বাল্য বিবাহ রোধ করেছে, তা বোঝাবেন কর্মীরা। মোট কথা মহিলাদের কাছে গিয়ে সরকারি প্রকল্পের কী সুবিধা পাচ্ছে প্রতিটি পরিবার তা তুলে ধরাই তৃণমূলের লক্ষ্য। ২০২১-এর লক্ষ্যেই তাঁরা এ ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩১ জন এবং ২০১৬ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৫ জন। সেই তুলনায় বিজেপি ২০১৬ সালে ৩১ জন প্রার্থী দিয়েছিল। সিপিএম ১৯ জন মহিলা প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল এবং কংগ্রেসে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ জন।
তৃণমূল সর্বদা মহিলাদের ক্ষমতায়নকে শীর্ষে রেখেছে এবং এটিকে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মতোই চালু রেখেছে। এই সরকার মহিলাদের নিয়ে যা ভাবছে, তা প্রশংসিত হয়েছে সর্বত্রই। এই যে কন্যাশ্রী প্রকল্প, দেশের ভিতরে এবং বিদেশ থেকে প্রশংসা অর্জন করেছে প্রকল্পটি। এমনটাই মানেন রাজ্যের অধিকাংশ মে হিলা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here