শেষ হয়ে গিয়েছে “কোভ্যাক্সিন”-এর ভান্ডার, দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে তৈরী হচ্ছে সংশয় !

0
367

মিষ্টু মুখার্জি, কলকাতা : করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগেই দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শেষ করার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু কোথায় ভ্যাকসিন ? কার্যত ভ্যাকসিনের জন্যে হাহাকার। দেশের বিভিন্ন রাজ্যেই ছবিটা এক। কার্যত একই ছবি বাংলাতেও।

ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে ভ্যাকসিন চেয়ে একাধিক চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যয়াপধায়। তাঁর দাবি, ১২ কোটি ভ্যাকসিন চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুই দিচ্ছে না কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে কিছু বলা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এই অবস্থায় কার্যত কলকাতায় ভ্যাক্সিন দেওয়ার কাজ বন্ধের মুখে।

জানা যাচ্ছে, কোভ্যাক্সিন সম্পূর্ণ ভাবে শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে আগামীকাল শুক্রবার থেকে আর কোভ্যাক্সিন দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানা যাচ্ছে। ভ্যাক্সিন দেওয়ার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার তরফে বেশ কয়েকটি ক্যাম্প খোলা হয়। কিন্তু তাতে দেখা যাচ্ছে সমস্ত ক্যাম্পে শেষ হয়ে গিয়েছে কোভ্যাক্সিন।

নতুন ডোজ কেন্দ্রের তরফে নতুন করে পাঠানো না হলে আপাতত কোভ্যাক্সিন দেওয়া বন্ধ থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। এই অবস্থায় সবথেকে বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে পারে কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ যারা নিয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের কীভাবে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সম্ভব তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ কপালে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

উল্লেখ্য, কোভ্যাক্সিনের দুটি টিকার ডোজ় নিতে হয় ২৮ দিনের ব্যবধানে। এক্ষেত্রে কীভাবে তা দেওয়া সম্ভব তা নিয়ে চিন্তাতে পুর-প্রশাসকরাও।

ভারতে ব্যবহৃত দুই ভ্যাক্সিন কোভিড শিল্ড ও কোভ্যাক্সিন

অন্যদিকে, জোগান কমছে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় কোভ্যাক্সিন শেষে। ফলে এই মুহূর্তে পুরসভার হাতে থাকা কোভিশিল্ডের উপর চাপ বাড়ছে। তথ্য বলছে জুলাই মাসে ৭৩ লক্ষ করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রের। কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ড মিলিয়ে এই ডোজ দেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মাত্র ২৩ লক্ষ ডোজ় পেয়েছে রাজ্য। আর তা পেয়েছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত। নতুন করে আর আসেনি। ফলে এই অবস্থায় দ্রুত ডোজ দিয়ে দেওয়া হয়েছে মানুষকে। আর তা দিতে কোভ্যাক্সিনের ভাঁড়ার শূন্য । যতদিন কোভিশিল্ড থাকবে তা দিয়ে পূরণ করা হবে পরিস্থিতি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here