ভুটান দখলে তৈরি হচ্ছে চিন, কোন নারকীয় পদ্ধতিতে এগোচ্ছে ধূর্ত ড্রাগনরা !

0
186

ভুটান দখলে তৈরি হচ্ছে চিন, কোন নারকীয় পদ্ধতিতে এগোচ্ছে ধূর্ত ড্রাগনরা !

তীর্থঙ্কর মুখার্জি, নয়া দিল্লি : বেজিংয়ের নিশানায় এবার ভুটানের রাজধানি থিম্পু। ২৫ তম সীমানা বিষয়ক আলোচনায় এবার ভুটানের সামনে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকা নিয়ে একের পর এক তাস ফেলতে তৈরি হচ্ছে চিন। শিলিগুড়ি করিডরের পরেই রয়েছে ভুটানের সীমানা। সেক্ষেত্রে ভুটানের পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কাছে। ২০১৭ সালে চিন যখন ডোকলাম লড়াইয়ে মাটি তাতিয়ে দিয়েছিল, তখন ভুটানের পাশে এসে দাঁড়ায় ভারত।

এশিয়ায় বিস্তারবাদে ব্রতী চিন কোন ছকে ফাঁস কষছে দেখে নেওয়া যাক

ভুটানের এলাকায় পশ্চিম দিকে ৩১৮ স্কোয়ার কিলোমিটার, আর কেন্দ্রীয় এলাকায় ৪৯৫ স্কোয়ার কিলোমিটার এলাকা নিজের বলে দাবি করতে থাকে চিন। আর এই ঘটনা ঘিরেই এবার চিন নিজের সর্বশক্তি দিয়ে এলাকা দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছে ভুটানেও। যার জেরে একটি বাণিজ্য সংঘাত ভুটানের ওপর চিন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, সাকতেং অভয়ারণ্য ঘিরে চিনের লোভাতুর দৃষ্টি রয়েই যাচ্ছে। অন্যদিকে, চিন ক্রমাগত করোনার আবহেও ফের ডোকলাম সীমান্তে নজরদারি তৎপরতা বাড়িয়ে দিয়েছে। এমন পরস্থিতিতে রয়্যাল ভুটান আর্মিও পিছিয়ে নেই। তারাও সাজো সাজো রব শুরু করেছে সমরসজ্জা নিয়ে। এদিকে, সাকতেংয়ের পথে চিনের নজরে যে ভুটান সংলগ্ন ভারতের অরুণাচল প্রদেশ রয়েছে , সে বিষয়ে সতর্ক ভারত। আর সেই মর্মে থিম্পু-বেজিং আলোচনার দিকে তাকিয়ে দিল্লি।
জানা গিয়েছে তোর্সা নালার কাথে ভুটানে ঢুকে চিন এলাকার মানুষকে জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দিয়ে রেখেছে। গোপনে চিনের সেনা এই কাজ করে যাচ্ছে। এই কাজের নেপথ্যে লালফৌজের একটাই উদ্দেশ্য, তা হল ভারত-ভুটান-চিন ট্রাই জংশনে ঝাম্পেরি রিজে গেমাচেন পর্যন্ত চিনের সীমানা বাড়িয়ে নেওয়া। যা এলাকা খালি করার মধ্য দিয়ে চিন করতে চাইছে। যাতে ওই এলাকাগুলি চিনের বলে মানতে বাধ্য হয় ভারত ও ভুটান। এর আগে, ডোকলাম যুদ্ধের সময় চিনের এমন প্যাঁচ প্রবলভাবে দুমড়ে দেয় ভারতীয় সেনা।
কূটনৈতিক মহলের ধারণা ২০১৭ সাল নাগাদ
চিন-ভারত সংঘর্ষে ভুটানের মধ্যের এলাকার ৪০ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে ঢুকে পড়ে চিন। ভুটানের চুম্বি এলাকায় তারা দখল ধরে রেখেছে। সেটি ভুটানের এলাকা বলে মামতেই চাইছে না চিন। এমনকি চেনা ছকে ভুটানের অংশের ববু জায়গায় চিন নিজের মতো করে নির্মাণ কাজে উদ্যোগী হয়েছে। এই নির্মাণ কাজই এলাকার অধিকার ধরে রাখার অন্যতম অস্ত্র চিনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here