ভারতের হয়ে বক্সিংয়ে আজ সোনা জিততে চান লাভলিনা,অসম কন্যার গ্রামের মানুষ চান পাকা রাস্তা

0
308

অমিত শর্মা, নয়া দিল্লি : অবশেষে আশাপূরণ। টোকিও অলিম্পিকে দেশের মুখ উজ্জ্বল করা অসমের লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের গ্রামের দিকে এবার অন্তত তাকাবে প্রশাসন, আশা রেখেছিলেন প্রতিবেশীরা। সেই আশা পূরণ হতে চলেছে। টোকিও গেমসে পদকজয়ী লাভলিনার হাত ধরে তাঁর গ্রামে ডালপালা মেলছে উন্নয়ন। বক্সারের পরিবারও আক্ষেপ ছিল তাঁদের গ্রামের করুন অবস্তার দিকে এতোদিন তাকায়নি প্রশাসন। এবার তাঁদের মেয়ের জন্যই পাচ্ছে গ্রামের পাঁকা রাস্তা।

অসমের যে এলাকা থেকে লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের উত্থান, তা অনুন্নত হিসেবেই পরিচিত। পরিকাঠামো এবং উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যের অন্যান্য এলাকার থেকে কিছুটা হলেও পিছিয়ে রয়েছে বারোমুথিয়া গ্রাম। যে গ্রাম থেকে লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের মতো প্রতিভারা উঠে আসেন, তা আরও আলোকিত হওয়া উচিত বলে মনে করেন গোলাঘাট জেলার মানুষ। টোকিও অলিম্পিকে পদক নিশ্চিত করা বক্সারের বাড়ির কাছের জল-কাঁদায় পিচ্ছিল হয়ে যাওয়া মাটির রাস্তাটা অন্তত সংস্কার করা হোক, দাবি তুলেছিলেন এলাকাবাসী।

টোকিও অলিম্পিকে পদক জয় নিশ্চিত করা লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের গ্রামের মানুষ অবশেষে সুসময়ের মুখ দেখলেন। ওই মহিলা বক্সারের বাড়ি ও গ্রামের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী ৩.৫ কিলোমিটারের কাঁচা-ভাঙাচোরা রাস্তাটি অবশেষে সংস্কার করার উদ্যোগ নিল প্রশাসন। স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বজিৎ ফুকানের পৌরহিত্যে ওই রাস্তাটি নতুন করে তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে পূর্ত দফতর। লাভলিনা পদক নিয়ে গ্রামে ফেরার আগেই সেই কাজ সম্পন্ন করতে সচেষ্ট হয়েছে প্রশাসন। সেমিফাইনালের ফলাফল যাই হোক, বড়গোহাঁইয়ের আপ্যায়নে কোনও ঘাটতি রাখতে চাইছে না তাঁর গ্রাম।

কঠিন পথ পেরিয়ে টোকিও পৌঁছনো লাভলিনার জন্য গর্বিত তাঁর বাবা তিকেন বড়গোহাঁই। ন্যূনতম ব্রোঞ্জ নয়, টোকিও অলিম্পিক থেকে মেয়ে সোনা জিতে ফিরবে বলে তিনি আশা রাখেন। লাভলিনার সোনা জয় নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতি অজয় সিংও। বিশ্বের সামনে নিজেকে প্রমাণ করতে টোকিও থেকে সোনা জিতে ফিরতে চান লাভলিনা নিজেও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here