পুনর্বিবেচনার আর্জিতে কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট ,দুর্গাপুজো রায়ে সামান্য পরিবর্তন !

263
1475

পুনর্বিবেচনার আর্জিতে কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট ,দুর্গাপুজো রায়ে সামান্য পরিবর্তন !

পিয়ালী সিনহা, কলকাতা : ফোরাম ফর দুর্গোৎসব সংগঠনের পুণর্বিবেচনার আর্জির শুনানির পর দুর্গাপুজোর রায়ে সামান্য পরিবর্তন করল কলকাতা হাইকোর্ট। নো এন্ট্রি জোনে থাকতে পারবেন ঢাকিরা। অনুমতি দিল হাইকোর্ট।একই সঙ্গে পুজো মণ্ডপে থাকার জন্য তালিকা ১৫ থেকে বাড়ি ৬০ করা হয়েছে। তবে করোনা বিধি মেনে একসঙ্গে বড় পুজো মণ্ডপে সর্বোচ্চ ৪৫ জন থাকতে পারবেন বলে কড়া নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বেঞ্চ।
দুর্গাপুজোর পুনর্বিবেচনার আর্জির শুনানিতে দুর্গাপুজোর রায়ে সামান্য বদল করল কলকাতা হাইকোর্ট। নো এন্ট্রি জোনে ঢাকিদের থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ঢাকিরা ছাড়া পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায় বলে হাইকোর্টের কাছে আর্জি জানিয়েছিল ফোরাম ফর দুর্গোৎসব নামে সংগঠনটি। সেই আর্জি মেনেই তাতে রাজি হয়েছে হাইকোর্ট। তবে করোনা বিধি মেেন তবেই ঢাকিরা থাকতে পারবেন মণ্ডপে বলে জানানো হয়েছে।
আগের রায়ে কলকাতা হাইকোর্ট বলেছিল পুজো মণ্ডপে ক্লাবের ১৫-২৫ জন সদস্যের থাকার অনুমতি মিলবে। তার তালিকা তৈরি করবে ক্লাবগুলি। সেই তালিকা অনুমোদন পেতে তবেই সেই সংখ্যক ক্লাব সদস্য মণ্ডপে থাকতে পারবেন বলে জানিয়েছিল হাইকোর্ট। বুধবার পুনর্বিবেচনার আর্জিতে কলকাতা হাইকোর্ট সেই সংখ্যা অনেকটাই বাড়িয়েছে। বড় পুজোর ক্ষেত্রে ৬০ জনের তালিকা তৈরি করতে হবে। তবে মণ্ডপে একসঙ্গে ৪৫ জনের বেশি থাকতে পারবেন না। ৩০০ বর্গমিটারের মণ্ডপে ১৫ জনের তালিকা থাকবে। আর মণ্ডপে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না। রোজ নামের তালিকা আপডেট করা যাবে বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট।
তবে মণ্ডপে দর্শনার্থী প্রবেশ নিয়ে যে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট তাই বহাল রেখেছে। তার কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে। আগের দিন কলকাতা হাইকোর্ট দুর্গাপুজো নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিেয়ছিল। রাজ্যের সব পুজো মণ্ডপ কন্টেইনমেন্ট জোন। মণ্ডপ দর্শনার্থী শূন্য রাখতে হবে। একই সঙ্গে নো এন্ট্রি লিখতে হবে মণ্ডপের সামনে। রাখতে বাফার জোনও।
উৎসব শুরু হতেই রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল রাজ্যে করোনা ভাইরাসের দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজারের গোণ্ডী পেরিয়েছে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে আশঙ্কা করেই রাজ্যের সব হাসপাতালে কোভিড বেড বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here