পিতা সৎ কন্যার কুরচিকর পোস্ট করায়,২৪ ঘন্টায় আইনি সহযোগিতা পাইয়ে দিল মানবাধিকার সংগঠন

0
234

পিতা সৎ কন্যার কুরচিকর পোস্ট করায়,২৪ ঘন্টায় আইনি সহযোগিতা পাইয়ে দিল মানবাধিকার সংগঠন

BAHRS GLOBAL NEWS, 09 JUN 2020
শান্তি রঞ্জন দাস , রায়গঞ্জ : পিতা তাঁর সৎ কন্যাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনের পর দিন কুরুচিকর পোস্টে করায় আইনি সহযোগিতা পাইয়ে দিল উত্তরবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠনের ওমেন সেল। বেশ কিছুদিন যাবৎ এক ব্যাক্তি হরিশ চন্দ্র সেন তাঁর সৎ কন্যাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরচিকর পোস্ট এবং অনবরতো তাঁর স্ত্রি কে ফোনে হুমকি দিবার পর, লকডাউনে আইনি সহযোগিতা ঠিকঠাক না পেয়ে, ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী সুবর্ণ বালো মানবাধিকার সংঠন HUMAN RIGHTS BAHRSWB NATIONALIST FORUM-এর ওমেন সেল কে পুরো বিষয়টি জানায়। এরপর ওই মহিলাকে রায়গঞ্জ থানায় নিয়ে গিয়ে ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায়।
https://youtu.be/3q8bWBMzvMU
অভিযুক্ত সৎ কন্যার পিতা হরিশ চন্দ্র সেন পুলিশের কাছে স্বিকার করে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলে আমি আমার স্ত্রীর আগের স্বামীর কন্যা কে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ঘৃণ্য কাজ করেছি আমি বিরট ভুল করে ফেলছি। এরপরেই উভয় পক্ষথেকে বসিয়ে আইনি আলোচনা শুরু হয় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এরপর অভিযুক্ত হরিশ চন্দ্র সেনের স্ত্রী সুবর্ণ বালো চোঁখে জল নিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানায় আমার কপালটাই খারাপ প্রথম স্বামী ছোট্ট বাচ্চা কে ছেড়ে যে সময় চলে যায় কি করে দিন কাটিয়েছি ছোট মেয়ে কে নিয়ে আমি শুধু জানি। এরপর হরিশ চন্দ্র সেন যখন নতুন করে আমায় ভালোবাসার স্বপ্ন দেখায় তখন আমার কন্যার মুখের দিকে তাকায় বিয়েতে রাজি হই। কিন্তু দ্বিতীয় স্বামিও বয়ের কিছুদিন পর থেকেই অত্যাচার শুরু করে। পরে জানতে পারি আমার দ্বিতীয় স্বামি হরিশ চন্দ্র সেনর ও দ্বিতীয় প্রথম পক্ষের একটি বউ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, তাঁর দ্বিতীয় স্বামীর অত্যাচার দিনের পর দিন বাড়তে থাকায়, অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আমার দুই মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসি। এরপরেই অনবরত ফেসবুক এর মাধ্যমে আমার বড় মেয়ে (১৫) কে নিয়ে নোংরা নোংরা পোস্ট করতে থাকে হরিশ চন্দ্র সেন।
এরপর যোগাযোগ করি মানবধিকার সংগঠনের ওমেন সেলের পিয়ালী সিনহা (কার্যকারী সভাপতি ওমেন সেল) ও পম্পা সরকার ( সম্পাদক উত্তরবঙ্গ ওমেন সেল) দুই ম্যাডামের সাথে যোগাযোগ করলে তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের সাথে কথা বলে এবং আমাকে থানায় নিয়ে গিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমার সমস্যার সমাধান করে এবং আমার স্বামী হরিশ চন্দ্র সেনের এই ঘৃণ্য কাজের জন্য (যা পুরোপুরি সংবাদ মাধ্যমে বলতে পারিনি মা হয়ে) সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পক্রিয়া শুরু হয়।
মানবাধিকার সংগঠনের উত্তরবঙ্গ তথা পশ্চিমবঙ্গের ওমেন সেলের কার্যকারী সভাপতি পিয়ালী সিনহা ও উত্তরবঙ্গের সভাপতি পম্পা সরকার জানান, সুবর্ণ বালো জানায় তাঁর দ্বিতীয় স্বামী হরিশ চন্দ্র সেন তাঁর ওপর কিছুদিন যাবৎ অত্যাচার ও তাঁর কন্যা সন্তান কে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরচিকর কর পোস্ট করে চলেছিলো আমাদের মানবধিকার সংগঠনের কর্ণধার তীর্থঙ্কর মুখার্জি (এডভোকেট সুপ্রিম ও কোর্ট হাইকোর্ট ) ও  রায় চৌধুরী কে পুরো বিষয়টি জানিয়ে রায়গঞ্জ থানায় অভিযোগ করিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আজ সুবর্ণ বালো আইনি সুবিধে পেল।
তবেআগামিতেও মানবাধিকার লংঘন হলে একি ভাবে পাশে থাকবে মানবাধিকার সংগঠন। কনো প্রকার চাইল্ড ট্র‍্যাফিকিং ,হুউম্যান ট্র‍্যাফিকিং সহ অন্যান্য কনো অভিযোগ ও খবর পেলে প্রশাসন এবং আমাদের মানবধিকার সংগঠনের www.bahrswb.org ওয়েব সাইটে জানাতে পারবে বলে জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here