পানমশলা সহ তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদন কিংবা বিক্রি বন্ধের নির্দেশ নবান্নের ! জেনে নিন বিস্তর

0
555

বিকাশ সিং, কলকাতা : তামাকজাত দ্রব্যই বেচা-কেনা নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা রাজ্যের তরফে জারি করা হয়েছে। সোমবার রাতে রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে। পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের ডিরেক্টর তপন কান্তি রুদ্রের স্বাক্ষর রয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। নবান্নের তরফে জারি করা নির্দেশিকা অনুয়ায়ি, আগামী মাস অর্থাৎ নভেম্বর মাসের ৭ তারিখ থেকে পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ হতে চলেছে গুটকা পান মশলা।

তামাক সেবন স্বাস্থ্যকর নয়, গুটখা সহ একাধিক তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটে বড়বড় করে লেখা থাকা এই সতর্কবার্তা। কিন্তু এরপরেও কেউ মানে না এই সতর্কীকরণ। খোলা বাজারে ব্যাপক ভাবে বিক্রি হয় এই সমস্ত সামগ্রী। রমরমিয়ে বিক্রিও হয়ে থাকে।

সরকারি একটি সূত্র জানায়, গুটখা সহ তামাকজাত এই সমস্ত সামগ্রিগুলি বিক্রি করে মোটা অঙ্কের রাজস্ব পেয়ে থাকে সরকার। যদিও সাধারণ মানুষের শরীরের কথা ভেবে ধীরে ধীরে একাধিক রাজ্য এই সমস্ত দ্রব্যকে নিষিদ্ধ করছে।

নির্দেশ জারি করে আরও জানানো হয়েছে ৭ তারিখের পর থেকে গুদামজাত করা ও বিক্রি নিষিদ্ধ এই রাজ্যে। গতকাল সোমবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এমনই একটি সার্কুলারে এমনটাই জানানো হয়েছে। এরপরেই নির্দেশিকাকে অমান্য করে গুটখা সহ একাধিক তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ওই ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ বছরের জন্যে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে আগামীদিনে সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানানো হবে।

এর আগেও গুটখা সহ একাধিক তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রির উপর নির্দেশিকা জারি করেছিল নবান্ন। গুটখা সহ এমন একাধিক তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রির উপরে জারি করে এই নির্দেশিকা। কিন্তু সচেতনতার অভাবে অবাধে বিক্রি হয়েছে গুটখা সহ একাধিক তামাকজাত দ্রব্যে। খোলা বাজারে বিক্রি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে এবারও এমনটা হবে না তো? শুধুমাত্র খাতায় কলমে থেকে যাবে না ৎ? প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তবে রাজ্য প্রশাসন সূত্রের খবর, এবার কড়া ভাবে তা মানা হবে।

রাজ্যের তরফে নির্দেশিকায় স্পষ্ট লেখা, ৭ নভেম্বর থেকে বাংলায় গুটখা, পানমশলা প্রভৃতি তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদন কিংবা বিক্রি বন্ধ করতে হবে। শধু তাই সংরক্ষণ এবং সেবনও পুরোপুরি নিষিদ্ধ বলে জানা যাচ্ছে। আপাতত এক বছরের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত। এমনটাই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে সেখানে থুতু-পিক ফেলা বিপদ ডেকে আনতে পারে। সেদিকে তাকিয়েও এই সিদ্ধান্ত কিনা সেদিকেও নজর চিকিৎসকমহলে। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here