এবার আশঙ্কায় বিজ্ঞানীরা, এইচআইভি-ডেঙ্গির মতো করোনারও কী ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে না !

0
149

এবার আশঙ্কায় বিজ্ঞানীরা, এইচআইভি-ডেঙ্গির মতো করোনারও কী ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে না !

BAHRS GLOBAL NEWS, 05 MAY 2020
পয়ালী সিনহা , নয়াদিল্লি : দেশের তাবর তাবর বিজ্ঞানীরা কী করোনা ভেকসিন আবিষ্কারে আশার আলোয় আশঙ্কার কালো মেঘ দেখছেন।
১০২ টি আলাদা ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে মারণ করোনার সঙ্গে লড়াই কড়তে তারমধ্যে ৮ টি ভ্যাকসিন মানবদেহের ওপর প্রয়োগ শুরু হউএছে।
তবে বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটা গভীর সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আদৌ কি কোভিড-১৯-র ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে । কারণ কোভিড-১০-র কোনও ভ্যাকসিন নেই। বছরের পর বছর ধরে রিসার্চ কোনও ভ্যাকসিন নেই ।
সিএনএন-র সূত্র অনুযায়ি সবচেয়ে চরম খারাপ উপায় হিসেবে এটিও একটি সম্ভবনা যেখানে এই মারণ করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কখনই কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে না ।
সারা পৃথিবী চার দশক ধরে ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। যার এত বছরের রিসার্চের পর কোনও ভ্যাকসিন নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে অনুযায়ী বিশ্বে প্রতি বছর ৪ লক্ষ মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হন। কিছু দেশে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হন। কিছু দেশে ডেংভাক্সিয়া নামের ভ্যাকসিন পাওয়াযায়। সেই দেশগুলিতে ৯ বছর থেকে ৪৫ বছরের মানুষরা এই ভ্যাকসিন পেয়ে থাকেন। তবে এই ভ্যাকসিন তাদেরই কাজ করে যাদের অন্তত একবার ডেঙ্গি হয়েছে ।
সারা পৃথিবীতে একাধিক রোগের কোনও ভ্যাকসিন নেই। ইম্পিরিয়াল কলেজের চিকিৎসক ডক্টর ডেভিড ন্যাবারোর মতে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে এই আশায় থাকলেও সত্যিটাকে আগ্রহ্য করা যাবে না । আর যেটা আবিষ্কার হবে সেটা সফল ট্রায়াল মান পাস করতেই হবে তবেই হবে মানবদেহে প্রয়োগ।
National Institute of Allergy and Infectious Diseases-র ডক্টর অ্যান্থনি ফাইসির মতে ভ্যাকসিন তৈরি হতে অন্তত ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। National School of Tropical Medicine at -r Din Baylor College of Medicine in Houston -র ডক্টর পিটার হোতেজও একই কথা বলবেন।
বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের মতে এই করোনা ভাইরাস বহুদিন মানুষের সঙ্গে থাকতে এসেছে। ফলে লকডাউন করে অর্থনীতির ক্ষতি হওয়া ছাড়া আর কোনও কাজই হওয়া সভব নয়। এই মারণ ভাইরাস যেহেতু “আর এন এ” তাই প্রতি মুহূরতে মিউটেশন করছে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য। আর সেই জন্যেই বিজ্ঞানীদেরও প্রতিমুহূর্তে রিসার্চের ধারা বদলাতে হচ্ছে।
পর্বের ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি । আর সেক্ষেত্রে অ্যাডেনো। ভাইরাস ভ্যাকসিন ভেক্টর ও সার্স কোভ-২ স্পাইক প্রোটিন এই ভাবে তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে কোভিড-১৯ -র ভ্যাকসিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here