উচ্চ মাধ্যমিকে পাস-ফেলের সংকট কাটাতে নয়া সিদ্ধান্ত ! কী জানাল সংসদ

0
468

মিষ্টু মুখার্জি, কলকাতা : লাগাতার বিক্ষোভের জের। অবশেষে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ১০০ শতাংশ পাস করানোর সিদ্ধান্ত নিল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় জেলায় এই নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। পথ অবরোধ থেকে স্কুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিল ছাত্রছাত্রীরা। তার পরেই কাউন্সিলের পক্ষ থেেক মাধ্যমিক পরীক্ষার মতোই ১০০ শতাংশ পাস করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পূর্ব ঘোষিত দিনেই প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। মাধ্যমিকে ১০০ শতাংশ ছাত্র ছাত্রী পাস করলেও উচ্চ মাধ্যমিকে কিন্তু অনেকটাই কম পাস করেছে। উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার ৯৭ শতাংশের কিছু বেশি ছিল। জেলায় জেলায় পাসের হার ৯০ শতাংশ বলে জানিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

উচ্চ মাধ্যমিকে একাধিক স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা পাস করতে পারেননি । এই নিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে জেলা। বসিরহাট থেকে শুরু করে বনগাঁ, মুর্শিদাবাদ সহ একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে। পথ অবরোধ থেকে শুরু করে স্কুলে ঢুকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। পরীক্ষা না হওয়ার পরেও কেন তাঁদের পাস করানো হল না তারই প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই রেজাল্ট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মাধ্যমিকের মত উচ্চমাধ্যমিকেও শুরু হল একশো শতাংশ পাশ করানোর প্রক্রিয়া। করোনা সতর্কতায় এবার দুটি পরীক্ষাই হয়নি। আগের পরীক্ষাগুলিতে পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে বিকল্প মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করা হয়। মাধ্যমিকের সবাই পাশ করলেও উচ্চমাধ্যমিকে দেখা যায় প্রায় কুড়ি হাজার ছাত্র-ছাত্রী ফেল করেছেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাসকে তলব করেন। বৈঠক শেষে সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। সংসদ সূত্রে খবর, সমস্ত ফেল করা ছাত্র ছাত্রীকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে।

সংসদ ইতিমধ্যেই একটি নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানিয়েছে ২৯ জুলাই-এর মধ্যে অসন্তুষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের আবেদন নিয়ে স্কুলগুলিকে আসতে হবে। ৩০ জুলাই থেকে নতুন মার্কশিট পাবেন পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যে একটি ছাপানো মুচলেকা ডিআইদের মাধ্যমে স্কুল কর্তৃপক্ষের থেকে সই করিয়ে নিচ্ছে সংসদ। মুচলেকায় প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা বা টিচার ইনচার্জদের জানাতে হচ্ছে, ‘আমাদের ত্রুটির কারণেই কিছু ছাত্র-ছাত্রীর ভুল নম্বর এসেছে। তার জন্য আমরা ক্ষমা চাইছি। দয়াকরে নতুন মার্কশিট দেওয়া হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here