অজ্ঞান হয়ে পরা কিশোরীর শুশ্রুষায় মমতার মানবিক রুপ দেখল বঙ্গবাসী ! আজ গণবিবাহের অনুষ্ঠান মমতা

0
534

লক্ষী শর্মা : গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিকতার সাক্ষী রইল আলিপুরবাসী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সভার বক্তৃতা থামিয়ে সংজ্ঞাহীন মুসকানের সুশ্রুষায় লেগে পরেন তিনি।

এইদিকে আজ ,বুধবার হাসিমারার সুভাষিণী চা বাগানে জেলা পুলিশের আয়োজনে গণবিবাহের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলা মিলে প্রায় ৫০০ যুবক-যুবতীর বিবাহে উপস্থিত থেকে তিনি নবদম্পতিদের শুভেচ্ছা জানাবেন। এদিনই ফিরে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রীর।

গতোকাল মুখ্যমন্ত্রী বক্তৃতার মাঝে ঠিক কি হয়েছিল ?

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য তখন প্রায় শেষের দিকে। হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করেন, এক কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মঞ্চ থেকেই মাইক্রোফোন হাতে মুখ্যমন্ত্রী বলে ওঠেন ,কী হয়েছে কী হয়েছে ? অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। তারপর তিনি তাঁর কাছে থাকা জলের বোতল ছুড়ে দেন জনতার মাঝে অসুস্থ হওয়া কিশোরীর সেবায়।

শুধু জলের বোতল দিয়েই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ডিহাইড্রেশন থেকে এই সমস্যা হতে পারে। আমি বক্তৃতা এখানেই শেষ করছি। আমি বক্তৃতা এখানেই শেষ করছি। বক্তৃতা পরে আবার হবে। এখন আগে মেয়েটির শুশ্রুষা করতে হবে। তিনি তাঁর টিমের সঙ্গে থাকা ডাক্তারকেও নির্দেশ দেন চিকিৎসার জন্য। তারপর বক্তৃতা সেখানেই শেষ করে নিজেই হেঁটে যান অসুস্থ কিশোরীর কাছে।

অসুস্থ কিশোরীর গায়ে -মাথায় হাত বুলিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংজ্ঞাহীন কিশোরী মুসকান পারভিন জ্ঞান ফিরতেই দেখে, সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী। মুসকান তার মা ও পরিবারের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শুনতে এসেছিলেন। কিন্তু গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। এদিন আরও দু-জন মুখ্যমন্ত্রীর সবায় এসে প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরও চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়।

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর সভার শেষে ধুপগুড়ি পুরসভার উপ পৌরপতি গুড্ডু সিং বলেন, আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর জ্বাল্ময়ী বক্তব্যের মাঝে হঠাৎ কিশোরীটি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভূমিকা নিলেন, তা আমাদের এবং সভায় উপস্থিত সকলেরই প্রাণ ছুঁয়ে গিয়েছে। তিনি যে বাংলার মা তা আরো একবার দেখলো সকলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here